নোয়াখালীর নির্বাচন অফিস কে দুর্নীতি ও অনিয়ম মুক্ত রাখতে সিনিয়র কর্মকর্তা মোঃ সাদেকুল ইসলামের ঘোষণা

৪৭

রাসেদ বিল্লাহ চিশতীঃ নোয়াখালীতে সরকারি সেবা ও সততার এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হয়ে নোয়াখালী জেলা নির্বাচন অফিসে কর্মতৎপরতা চালিয়ে চমক সৃষ্টি করে যাচ্ছেন জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম। তার নিখুঁত কর্মপদ্ধতি, প্রশ্নাতীত সততা এবং নিয়মানুবর্তিতা আজ সর্বমহলে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম নোয়াখালী জেলায় যোগদানের পর থেকেই অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এবং সর্বদিকে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। কর্মক্ষেত্রে তিনি যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক শক্ত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করেছেন। কোনো প্রকার অসাধু উপায় বা আর্থিক লেনদেনকে তিনি বিন্দুমাত্র প্রশ্রয় দেন না; বরং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক উপায়ে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি বদ্ধপরিকর। তার এই কঠোর ও নীতিবান অবস্থানের কারণে পুরো অফিসের কাজের পরিবেশ আমূল বদলে গেছে এবং দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য একেবারে বন্ধ হয়েছে।

​বিশেষ করে, সাধারণ মানুষের বহুল আকাঙ্ক্ষিত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি ) সংশোধনের ক্ষেত্রে তিনি এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন। এনআইডি-র আক্ষরিক ও আংশিক নাম পরিবর্তনসহ যাবতীয় জটিল সংশোধনগুলো তিনি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে দিচ্ছেন। যেসব আবেদন অত্যন্ত জটিল এবং বছরের পর বছর ঝুলে ছিল, সেগুলো তিনি স্বশরীরে কিংবা সঠিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করছেন। তার এই ত্বরিত পদক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষকে আর দিনের পর দিন নির্বাচন অফিসে এসে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে না।

নোয়াখালী জেলাতে গণমাধ্যমে কাজ করে মোঃ রাজিব হোসেন নামে একজন সাংবাদিক এ প্রতিবেদকে (সাংবাদিক রাসেদ বিল্লাহ চিশতী) বলেন, প্রতিদিন ঘড়ির কাঁটা ধরে সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিত হওয়া তার এক অন্যতম অনন্য বৈশিষ্ট্য। সাধারণ মানুষের যেকোনো সমস্যা তিনি নিজে অত্যন্ত ধৈর্য ও গভীর মনোযোগের সাথে শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে আইনি উপায়ে তা নিরসন করেন।

​নিজের মেধা, শ্রম ও সততাকে বিলিয়ে দিয়ে তিনি নোয়াখালী জেলা নির্বাচন অফিসকে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার এক পরম ঠিকানায় পরিণত করেছেন। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলামের মতো একজন নীতিবান, দুর্নীতিমুক্ত এবং জনবান্ধব কর্মকর্তা দেশের প্রতিটি সরকারি দপ্তরে অত্যন্ত প্রয়োজন। নিজের দায়িত্বকে কেবল পেশা নয়, বরং দেশ ও জনগণের নিঃস্বার্থ সেবা হিসেবে গ্রহণ করে তিনি যে অনন্য নজির গড়েছেন, তা সত্যিই সর্বস্তরের মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *