দুরুন্দা খাল খাসকালেকশন এনে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

১৯

মদন নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোনার খালিয়াজুরি ও মদন উপজেলার শেষ সীমানায় দূরুন্দা খাল দখল করে মাছ ফিশিং কার্যক্রম ও শামুক উত্তোলনকারী নৌকা ওয়ালাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।

হয়রানি চাঁদা আদায় দুরুণদা খাল দখলের চারজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ২৩ জুলাই বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গোবিন্দশ্রী বড্ডা গ্রামের ওয়ালিদ মিয়া।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গোবিন্দশ্রী গ্রামের শান্ত মিয়ার ছেলে গেন্দু মিয়া,আব্দুল বারীর ছেলে শামছুল ফকির, আব্দুর রহিছের ছেলে জজ মিয়া, জগন্নাথপুর ও বোয়ালি মৌজার একটি অংশ হচ্ছে দুরুন্দা খাল। গত বছরের ৩০ চৈত্র ১৪৩২ সাল হইতে ৩০ চৈত্র ১৪৩৩ সাল পর্যন্ত দূরুন্দা খালটি তারা সরকারের নিটক থেকে খাসকালেকশনে নেয়। এলাকার হাঁসের খামারের মালিকরা দুরুন্দা খাল হতে হাঁসের জন্য শামুক উত্তোলন করতে গেলে ইজারাদারা বাঁধা দেয়, তারা জানান,প্রতি নৌকা ২০ হাজার করে টাকা দিলে হাঁসের জন্য শামুক সংগ্রহ করতে দিবে।
না হয় দুরুন্দা খালের আশেপাশে কোন নৌকা চলাচল ও শামুক উত্তোলন করতে দেবে না। মৎস্যজীবীদের সাময়িক ভাবে মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারণে তারা জীবিকা নির্বাহে হাঁসের খাবার শামুক সংগ্রহ করে হাঁসের খামারীদের কাছে তারা শামুক বিক্রি করে পরিবার পরিজন নিয়ে চলে।

মৎস্য জীবিরা মাছ মারা বন্ধ থাকার কারণে শামুক উত্তোলন করে হাঁসের খামারিদের নিকট বিক্রি করে তারা কোন রকম ডাল ভাত খেয়ে জীবন যাপন করছে।

এ ঘটনায় গোবিন্দশ্রী বড্ডা গ্রামের মৃত আনসার মিয়ার ছেলে শরিফুল ইসলাম জানান, দুরুন্দা খাল অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে বে-আইনীভাবে ফিশিং কার্যক্রম চালাচ্ছে গোবিন্দশ্রী গ্রামের প্রভাবশালী কিছু লোকজন মিলে।
যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে এলাকায় বড় দুর্ঘটনা। তাই আপনাদে মাধ্যমে
প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ রইলো
চাঁদা বাজদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার দাবি করছি।

অভিযোগকারী ওয়ালিদ মিয়া বলেন, দরুন্দা খালটি চাঁদা আদায়কারীরা খাসকালেকশনে এনেছে সরকারের কাছ থেকে।

এখন শামুকের নৌকাওয়ালারা তাদেরকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে। না হয়
নৌকা দিয়া হাওর থেকে হাঁসের খাবার শামুক উত্তোলন করতে দেবে না।

আমরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে খবর নিয়ে দেখেছি চলতি বছরে কোন জলমহল সরকারিভাবে খাস কালেকশন দেয়নি। তবে তারা কি করে দুরূন্দা খাল দখলে নিয়েছে ও বিভিন্ন নৌকোয়ালাদের কে মারধর করছে তারা কিভাবে চাঁদা আদায় করছে বিষয়টা প্রশাসনের কাছে জানতে চাই।

এ বিষয়ে গেন্দু মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুরুণদা খালের খাসকালেকশন এর কাগজপত্র আছে আমিরুল হাসান রুজেল মিয়ার কাছে আছে।
আমাদের নামে যারা অভিযোগ দিয়েছে আমরা চাঁদা আদায় করছি এইটা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।
খাসকালেকশনের মালিক আমিরুল হাসান রোজেল জানান,বিগত ১৬ এপ্রিল ২০২৬ সালে খালিয়াজুরী নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট হতে আমি খাসকালেকশনের এনে দুরুন্দা খালে মাছ ফিশিং করার জন্য ঢাল বাঁশ দিচ্ছি,কিছু অসাধু লোক আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।
খালিয়াজুরী উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ অলিদুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *