ঠাকূরগাঁওয়ে সোনার মূর্তির লোভ দেখিয়ে প্রতারণা, ভাই-বোন গ্রেফতার।

২২

মো. আরফান আলী :
সোনার মূর্তি ও মূল্যবান পূরোনো মুদ্রা (কয়েন) পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকূরগাঁও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ছয়টি সোনালি রঙের মূর্তি, পাঁচটি কয়েন ও একটি পিতলসদৃশ পুরোনো কলস জব্দ করা হয়।
শুক্রবার ১৭ জুলাই বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঠাকূরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ খোদাদাদ হোসেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, জেলার রানীশংকৈল উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের কোচল (কাঁঠালডাঙ্গী) গ্রামের বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৬) ও তাঁর ফুফাতো বোন মোছা. সীমা বেগম (৩২)।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই রাতে দিনাজপুরের কোতোয়ালি এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল আজিম ডিবি পুলিশকে জানান, সোনার মূর্তি ও পুরোনো কয়েন বিক্রির কথা বলে একটি চক্র তাঁর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নিয়েছে। ওই দিন বাকি টাকা পরিশোধের বিনিময়ে তাঁকে মূর্তি ও কয়েন দেওয়ার হয়েছে।

এ তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি দল রানীশংকৈল উপজেলার কোচল গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীর আলম ও সীমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে।

পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির বারান্দার পাশে মাটির নিচ থেকে ছয়টি সোনালি রঙের গোপাল ঠাকুরের মূর্তি, পাঁচটি সাদা রঙের কয়েন এবং প্রায় দেড় কেজি ওজনের একটি পিতলসদৃশ পুরোনো কলস উদ্ধার করা হয়। সেগুলো জব্দ করেছে পুলিশ।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *