ভবানীগঞ্জ সরকারি কলেজের কম্পিউটার সহকারী জিয়াউর রহমানের দিনরাত পরিশ্রম প্রশংসায় ভাসছেন

৮৫

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী:-

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দাপ্তরিক ও ডিজিটাল কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন কম্পিউটার সহকারি মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া। কলেজের যেকোনো জরুরি কাজ, ভর্তি প্রক্রিয়া, পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতকরণ থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রমে তাঁর এই অক্লান্ত পরিশ্রম শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশংসিত হচ্ছে।

স্থানীয় ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্য ও সেবা এখন অনলাইন ভিত্তিক। আর এই বিশাল কর্মযজ্ঞ অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে সামলে নিচ্ছেন মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া। কলেজের দাপ্তরিক কাজের চাপ যখনই বাড়ে, তখনই তিনি দিন-রাত এক করে নিখুঁতভাবে কাজ সম্পন্ন করেন। অনেক সময় ছুটির দিনেও তাঁকে কলেজের স্বার্থে ল্যাপটপ ও কম্পিউটারের সামনে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, যেকোনো অনলাইন আবেদন, রেজিষ্ট্রেশন বা জরুরি প্রয়োজনে কম্পিউটার শাখায় গেলে মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে তাদের সহযোগিতা করেন। কাজের প্রতি তাঁর এই একাগ্রতা এবং হাসিমুখে সেবা দেওয়ার মানসিকতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেক ভোগান্তি থেকে রক্ষা করছে।

কলেজের কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক জানান, মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া শুধু একজন কর্মচারী নন, বরং কলেজের ডিজিটাল সেকশনের একজন অতন্দ্র প্রহরী। প্রতিষ্ঠানের যেকোনো প্রশাসনিক বা শিক্ষা সংক্রান্ত ডাটা এন্ট্রি এবং জরুরি নোটিশ দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। তাঁর এই পরিশ্রমী ভূমিকা কলেজের প্রশাসনিক গতিশীলতা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

নিজের কাজের বিষয়ে মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ আমার কাছে একটি পরিবারের মতো। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করার মধ্যেই আমি আনন্দ পাই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মুখে যখন কাজের স্বীকৃতি বা সন্তুষ্টি দেখি, তখন সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। আগামীতেও আমি এই ধারা বজায় রেখে কলেজের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।

একটি ঐতিহ্যবাহী সরকারি কলেজের দাপ্তরিক কাজকে শতভাগ নির্ভুল ও আধুনিক রাখতে মোঃ জিয়াউর রহমান জিয়ার মতো নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *