দামুড়হুদা ইউনিয়ন পরিষদে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

৪৬

মোঃ নাঈম উদ্দীন
বিশেষ প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা।

‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, আর মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর।’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে দামুড়হুদা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে স্থানীয় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে স্কুল ব্যাগ ও ছাতা বিতরণ করা হয়েছে। ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের (২য় কিস্তি) অর্থায়নে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অস্বচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টায় ইউনিয়ন অফিস চত্বরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান মোঃ হযরত আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ০৬ নং ওয়ার্ড কমিটি (ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা) এর সভাপতি মোঃ আশরাফুল আলম।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে স্কুল ব্যাগ ও ছাতা তুলে দেওয়ার এই সামান্য আয়োজন তাদের পড়াশোনার প্রতি উৎসাহ যোগাবে এবং বিদ্যালয়ে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। চেয়ারম্যান মোঃ হযরত আলী তার বক্তব্যে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক কার্যালয়, দামুড়হুদার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোঃ সুমন আলী এবং দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোঃ আতিকুর রহমান।

এছাড়াও দামুড়হুদা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ নাঈম উদ্দীন এবং হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ সাব্বির আহম্মেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিতরণী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে ব্যাগ ও ছাতা তুলে দেন, যা পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে আনন্দের ছাপ ফুটে ওঠে।

ইউনিয়ন পরিষদের এমন মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। তারা আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরণের শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনের পথে এগিয়ে যাবে।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *