মোহাম্মদ হোসাইন, টেকনাফ, কক্সবাজার:
বিলাসবহুল গাড়িতে করে ইয়াবা পাচারকালে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কথিত কন্টাক্টার ফরিদ আলমকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সুত্র জানায়, অদ্য ১৪ জুন (রোববার) টেকনাফ উপজেলা যুবদল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাকে (ফরিদকে) দলীয় পদ থেকে বহিস্কার করেছেন। এর মাধ্যমে কথিত কন্টাক্টার ফরিদ আপাতত যুবদলের কোন পদে থাকতে পারবেনা। সুত্রে জানাগেছে, গত ১৩ জুন (শনিবার) সকাল ১১টা ৩৫মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার গোয়েন্দা পুলিশ ভোলা বাবুর পেট্রোল পাম্প এলাকা থেকে একটি নোহা গাড়ী থামানোর সংকেত দেন। এসময় গাড়ীতে থাকা ফরিদসহ অন্যান্যরা প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন বলে পুলিশের সাথে কিছুটা বাকবিতন্ডায় জড়ায়। এতে পুলিশের সন্দেহ আরো বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে পুলিশ নোহাগাড়ীসহ ফরিদকে কলাতলীস্থ খাঁন অটো মটরসে নিয়ে আসেন। সেখানে গাড়ীতে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৬হাজার পিচ ইয়াবাবড়ি উদ্ধার করেন। পরে গোয়েন্দা পুলিশ ইয়াবা পাচারে জড়িত থাকার অপরাধে কথিত কন্টাক্টার ফরিদ আলমসহ ৩জন ইয়াবা কারবারীকে আটক করেন। এই খবর বিভিন্ন সংবাদে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে পুরো জেলা জুড়ে আলোচনার সমালোচনার জন্ম দেন।
সাথে সাথে ফরিদের জন্মভূমি হোয়াইক্যং ও পুরো টেকনাফজুড়ে সোশ্যাল মিডিয়ার হৈ চৈ ফেলে দেন।
পরে তাঁর দল টেকনাফ উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ বিষয়টি অবগত হলে তাকে বহিষ্কার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। দলীয় সিদ্ধান্তের আলোকে ১৪ জুন রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উপজেলা যুবদল বহিস্কারের বিষয়টি খোলাসা করেন। টেকনাফ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জুনায়েদ আলী চৌধুরী সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন। এদিকে ইয়াবাসহ আটক হওয়ায় যুবদল নেতা কথিত কন্টাক্টার ফরিদকে বহিস্কার করায় উপজেলা নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহলসহ সংশ্লিষ্টরা।
বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অনেকে দাবী জানিয়েছেন ফরিদের মতো দলের মধ্যে পদ পদবী নিয়ে বসে থাকা ইয়াবা কারবারীদের পদচ্যুত করার দাবী জানিয়েছেন।