আলমগীর শরীফ, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ-

লিখছি একজন মানবিক, সদালাপী, হৃদয়বান, কবি-সাহিত্যিক, গীতিকার, সুরকার, সংগীত ব্যাক্তিত্ব ও দক্ষ চৌকোশ পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমানের কথা।
আনিছুর রহমানের গ্রামের বাড়ী বরিশাল জেলার চরমোনাই এলাকার রাজারচর গ্রামে, পিতা মোসলেম আলী হাওলাদারের ০৭ ছেলে-মেয়ের মধ্যে তিনি প্রথম সন্তান।
স্থানীয় বিদ্যালয়ে পড়ালেখা অবস্থায়ই সহ-শিক্ষার্থীরা ও অনেক সময় শিক্ষকরাও কবি বলে ডাকতেন। আর সেই থেকেই লেখা লেখির আগ্রহ বেরেযায় আনিছের। একপর্যায় ১৯৮৯ ইং সনে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য হিসেবে চট্টগ্রামে যোগদান করেন এবং পর্যায়ক্রমে দেশের ভিবিন্ন এলাকায় চাকুরীরত অবস্থায় অবসরে ভিবিন্ন ধরনের গান, কবিতা, ছড়া, গল্প ও নাটক লিখতেন।
এর মধ্যে ১৯৯২ ইং সনে বরিশাল রেঞ্জ রিজার্ভ পুশিশে বদলীজনিত যোগদান করে তাঁহার প্রচেষ্টায় রেঞ্জ রিজার্ভ পুলিশ পরিচালিত “প্রভাতী দেয়াল” নামে একটি পত্রিকা ও একটি “প্রভাতী সাহিত্য ম্যাগাজিন” প্রকাশ করা হয়, যার সম্পাদকও ছিলেন আনিছুর রহমান। দীর্ঘদিন অতি সুনাম ও দক্ষতার সাথে দায়ীত্ব পালন করার পর ২০১০ ইং সনে শান্তিরক্ষা মিশনে আফ্রিকার কঙ্গোতে যান। সেখানেও নির্ধারীত দয়ীত্ব পালনের পাশাপাশি “আজ কুসুমের বিয়ে” নামে একটি মুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক বিষেশ নাটক লিখেন এবং মঞ্চে উপাস্থাপন করেন। একপর্যায় ঐ নাটকটি ভিবিন্ন দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থান পাওয়ায় প্রায় শতাধিক মঞ্চে ও ছোট পর্দ্মায় প্রচারের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের মনকে মুগ্ধ করে ঐদেশে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে “প্রশংসা স্বীকৃতি” প্রাপ্তি হয়ে বাংলার ভাবমূর্তি বিশ্বের দরবারে উজ্জল করতে সক্ষম হয়েছেন আনিছুর রহমান। এছাড়াও র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়নে দায়ীত্ব পালন অবস্থায় র‍্যাপ সদস্যদের নিয়ে গান লিখেছেন, যে গানটি দেশের বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী আকাশ মাহমুদের দেশবাসীকে মুগ্ধ করেছেন।
বর্তমান পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আনিছুর রহমান এপর্যন্ত ১ শতরও বেশী বাউল, বিচ্ছেদ, দরবারী ও ফোক গান এবং ১১ টি নাটক-সহ অগনিত ছড়া-কবিতা লিখে একজন সনামধন্য দক্ষ ও পেশাদার কবি-গীতিকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। উক্ত গানসমূহ বাংলাদেশ ও ভারতের বরেণ্য কণ্ঠশিল্পীরা নিয়মিত পরবেশন করে আসছে।
বর্তমানে মোঃ আনিছুর রহমান পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে ঝালকাঠি জেলা পুলিশে কর্মরত আছেন।