মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ সুজন বেপারী – বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংয়ে বলা হয়েছে র‍্যাবের সোর্স অব ইনফরমেশন হলো সাংবাদিক আর সাংবাদিকদের র‍্যাব। তাই র‍্যাব ও সাংবাদিকদের মধ্যে যোগাযোগটা বেশি দরকার কারণ যোগাযোগ টা বেশি হলে পেশাগত দায়িত্ব পালন সহজ হয়।

একটা মামলা হলে যতো কিছুই বলি না কেন সেটা র‍্যাবকে তদন্ত করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে আমরা বলি সাংবাদিকরা এই নিউজ ওই নিউজ না করলেও পারতো। আমি মনে করি, সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেয়া উচিত না। সাংবাদিক ও র‍্যাবের উদ্দেশ্যই হচ্ছে সমাজের বিভিন্ন অনিয়ম দূর করা। সেজন্য আমাদের পারস্পরিক সহযোগী ও যোগাযোগ বেশি দরকার।

বার্তা প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিক মহল প্রতিবেদনে জানিয়েছেন ঝুঁকি থাকবে সত্যে প্রকাশে সাংবাদিকতা — এটি শুধু একটি পেশা নয়, এটি এক মহান দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। সাংবাদিকের কলম যেন কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানার বা ব্যক্তিস্বার্থের অস্ত্র না হয়। বরং সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সত্য অনুসন্ধান, সমাজের কল্যাণ এবং দেশের উন্নয়ন।

আজকের যুগে সংবাদ মাধ্যম শুধু খবর পরিবেশনের মাধ্যম নয়, এটি একটি শক্তিশালী সামাজিক হাতিয়ার। তাই সাংবাদিকদের উচিত নিরপেক্ষ, দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করা। সাংবাদিক যদি দলীয় স্বার্থে পরিচালিত হন, তাহলে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম হারিয়ে ফেলে বিশ্বাসযোগ্যতা, এবং জনগণ হারায় তাদের আস্থার জায়গা।

সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের অন্ধকার দিকগুলোকে আলোর মুখে আনা যায়। দুর্নীতি, অন্যায়, বৈষম্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কলমকে জাগ্রত রাখা – সেটিই একজন প্রকৃত সাংবাদিকের নৈতিক দায়িত্ব।

আজ যখন বিশ্বজুড়ে তথ্যযুদ্ধ চলছে, তখন সাংবাদিকদের উচিত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে বিরত থাকা, যাচাই-বাছাই করে সত্য প্রকাশ করা। কারণ, একটিমাত্র ভুল তথ্যও সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে।

সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ প্রচার নয়, এটি জাতি গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। দেশের উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং নাগরিক চেতনা জাগ্রত করার জন্য সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।

তাই সাংবাদিকতা হবে জনগণের জন্য, দেশের জন্য, আর জাতির কল্যাণে — কোনো দলের, ব্যক্তির বা স্বার্থগোষ্ঠীর জন্য নয়।

একজন প্রকৃত সাংবাদিকের কলম যেন সবসময় থাকে সত্যের পাশে, ন্যায়ের পক্ষে, আর মানুষের কল্যাণে ঝুঁকি থাকবে সত্যে প্রকাশে।

একজন সন্ত্রাসীর পিস্ত‌লের চে‌য়ে একজন সাংবা‌দি‌কের কল‌মের শ‌ক্তি অ‌নেক বে‌শি, তাই সন্ত্রাসী য‌দি ক্যাডার হয় ত‌বে সাংবা‌দিকরা ক্যাডা‌রের বাপ। ওরা অস্ত্র দি‌য়ে মানুষ খুন ক‌রে, আর সাংবা‌দিকরা সমা‌জে মানু‌ষের মু‌খোশ পড়া জা‌নোয়ার‌দের কার্যকলাপ চিত্র তু‌লে ধ‌রে। তাই সাংবা‌দিক‌দের জা‌তির বি‌বেক বলা হয়, একজন মন্ত্রীর ক্ষমতা পাচঁ বছর, প‌রে আবার তার নির্বাচ‌নে অংশগ্রহণ ক‌রে ক্ষমতায় আস‌তে হয়। একজন পুলিশের পাওয়ার তি‌নি যত‌দিন চাকুরী ক‌রেন তত‌দিন, কিন্তু একজন সাংবা‌দি‌কের পাওয়ার স‌ত্যের প‌থে তার কলম যত‌দিন চ‌লে।

সাংবাদিক মোঃ সুজন বেপারী বলেন, আপনার আশে-পাশে ঘটে যাওয়া যে কোন অপরাধ ও অন্যায় সম্পর্কে আমাদের কে বলুন আমরা ২৪ ঘন্টা আপনার সেবায় নিয়োজিত।